এসইও প্ল্যান বা পরিকল্পনা

এসইও প্ল্যান বা পরিকল্পনা

এসইও প্ল্যান বা পরিকল্পনার অ আ ক খ

সফলভাবে একটি এসইও পরিকল্পনা (এসইও প্ল্যান) প্রণয়ন করে বাস্তবায়ন করার জন্য নির্দিষ্ট কিছু দক্ষতা ও অভিজ্ঞতার প্রয়োজন হয়। এগুলোর মধ্যে রয়েছে:

এনালাইসিস, রিসার্চ, প্ল্যানিং, কন্টেন্ট রাইটিং এবং কমিউনিকেশন

স্মরণ রাখবেন, একটি সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন বা এসইও এর প্রজেক্ট সাধারণতঃ চারটি প্রধান ধাপের সমন্বয়ে তৈরি হয়।

প্রশ্ন ধাপগুলো কি কি?

উত্তর: পড়তে থাকুন!

প্রি-সাইট এসইও: বিদ্যমান কোন ওয়েবসাইট এর এসইও করার জন্য বা নতুন কোন ওয়েবসাইট বা পেইজ এর এসইও করার জন্য যে রিসার্চ এবং প্ল্যানিং কৌশল গ্রহণ করা হয়, তাকে-ই মূলতঃ প্রি-সাইট এসইও বুঝানো হয়ে থাকে।

আপনার প্রতিষ্ঠানের বা ক্লায়েন্ট এর প্রতিষ্ঠানের যে অনলাইন ব্যবসায়িক কৌশল এবং প্রতিদ্বন্দ্বী রয়েছে, সেগুলো সম্পর্কে আপনাকে বিশদ ধারণা অর্জন করতে হবে।

আপনাকে আপনার কাজের/সেবার মার্কেট ক্যাটেগরি, সম্ভাবনাময় গ্রাহক এবং প্রতিদ্বন্দ্বীদের নিয়ে রিসার্চ করতে হবে।
বিশদ আকারে এনালাইসিস এবং কীওয়ার্ড রিসার্চ করতে হবে, এবং সেগুলোর উপর ভিত্তি করে একটি সঠিক প্ল্যান তৈরি করতে হবে।

অন-পেইজ এসইও: এই অংশে নিশ্চিত করতে হয় ওয়েবপেইজ/কন্টেন্ট, এগুলোর টাইটেল, ট্যাগ ইত্যাদি এর মাধ্যমে কন্টেন্ট এবং এগুলোর সার্বিক কাঠামো টার্গেটকৃত কীওয়ার্ড/সার্চটার্ম এর জন্য সঠিকভাবে অপটিমাইজ করা হয়েছে।

ওয়েবসাইট টাইটেল: মেটাট্যাগ এর মধ্যে মানসম্মত এবং প্রাসঙ্গিক ডেসক্রিপশন এবং কীওয়ার্ড ব্যবহার করতে হবে।

ওয়েবসাইট এর কন্টেন্ট: এইসইও এর জন্য এই অংশটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এবং এর মধ্যে বডি কন্টেন্ট, পেইজ এর টাইটেল, ইমেজ এর অলটারনেটিভ (alt) ট্যাগ, সঠিক কাঠামোর আউট গোয়িং (আউটবাউন্ড) লিংক এবং এংকর টেক্সটগুলো এমনভাবে দৃশ্যমান হতে হবে যেন ব্যবহৃত সার্চ টার্ম/কীওয়ার্ডগুলো সহজে প্রতিফলিত হয়।

ইন্টার্ণাল লিংক: মেনুবার ব্যবহার করে, সাইটম্যাপ যুক্ত করে, ফুটার অংশে এংকর টেক্সট ব্যবহার করে বা কাস্টমাইজড উইডগেট ব্যবহার করে ইন্টার্ণাল লিংক তৈরি করতে হবে। এর ফলে সার্চ ইঞ্জিনগুলো সহজে ওয়েবসাইটটি ক্রল করতে পারবে বা নেভিগেট করতে পারবে এবং ইন্টার্ণাল লিংকগুলো ইনডেক্স করার পাশাপাশি সোর্স লিংকগুলো লিংকজুস ও পাবে।

সাইট ডিজাইন এবং কন্সট্রাকশন: ওয়েবপেইজ এর বিভিন্ন রিসোর্স এবং কোডগুলো যেন এমন হয়, যাতে সহজে সার্চ ইঞ্জিন সেগুলোকে ক্রল এবং ইনডেক্স করতে পারে। ওয়েবপেইজ এর কোডগুলোতে এমন কোন কিছু যেন না থাকে, যা সার্চ ইঞ্জিনগুলোকে ক্রল এবং ইনডেক্স করতে বাধা প্রদান না করে।

ডিজাইন এবং স্পিড: ওয়েবসাইট এর ডিজাইন যেন রেসপন্সিভ হয় অর্থাৎ যে কোন সাইজ বা ধরণ এর ডিভাইস দিয়ে যেন ওয়েবসাইটটি পুরোপুরি ব্যবহার করা যায়। পাশাপাশি ওয়েবপেইজ এর কন্টেন্টগুলো যেন দ্রুত লোড হয়ে যায়, একই কন্টেন্ট এর রিকোয়েস্ট এর জন্য যেন প্রতিবার সার্ভারে রিকোয়েস্ট পাঠাতে না হয়, সেগুলোও সঠিকভাবে লক্ষ্য রাখতে হবে। এর ফলে সাইট এর গতি বৃদ্ধি পাবে, যা র‌্যাংকিং এর জন্য বেশ অর্থবহ উপাদান।

অফ-পেইজ এসইও: অফ-পেইজ এসইও বলতে মূলত ইনকামিং (ইনবাউন্ড) লিংক বিল্ডিং বা তৈরি করাকে বুঝায়। এই ধাপে মূলতঃ উল্লেখযোগ্য পরিমাণে ব্যাকলিংক তৈরি করা হয়। চেষ্টা করতে হবে প্রাসঙ্গিক এবং গুরুত্বপূর্ণ বা শক্তিশালী ওয়েবসাইট থেকে লিংক নেয়ার।

পোস্ট সাইট এসইও: ওয়েবসাইটকে পুরোপুরি অপটিমাইজ করার পর ওয়েবসাইট এর ট্র্যাফিক এনালাইসিস করা, ইউজার এর ফিডব্যাক এনালাইসিস করে সে অনুযায়ী রেসপন্স করা (সাড়া দেয়া) ইত্যাদি হলো পোস্ট সাইট এসইও। মনে রাখতে হবে, এসইও হলো একটি চলমান প্রক্রিয়া এবং কার্যকর এসইও এর জন্য সব সময় কাজ করে যেতে হবে।

র‌্যাংকিং সম্বন্ধে বিশদ জানতে এখানে ক্লিক করুন

মন্তব্য করুন:

Scroll Up